Step 1: এপ্রিল সেশনের বৈশিষ্ট্য
এপ্রিল সেশনকে “মেইন ইনটেক” বলা হয়, কারণ:
- ভর্তি কোটা বেশি থাকে → ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি
- প্রোগ্রামের মেয়াদ ১ বছর ৯ মাস অথবা ২ বছর পর্যন্ত হয়
- পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ বেশি
- বিশ্ববিদ্যালয়, ভোকেশনাল স্কুল বা চাকরিতে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সময় পাওয়া যায়
Step 2: টাইমলাইন (Timeline)
| ধাপ | সময়সীমা (বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীদের জন্য) |
| স্কুল নির্বাচন ও ডকুমেন্ট প্রস্তুতি শুরু | আগস্ট – অক্টোবর |
| স্কুলে আবেদন জমা | অক্টোবর – নভেম্বর |
| স্কুল থেকে প্রাথমিক অনুমোদন | নভেম্বর – ডিসেম্বর |
| স্কুল COE আবেদন করে Immigration এ | ডিসেম্বর – জানুয়ারি |
| COE রেজাল্ট পাওয়া | ফেব্রুয়ারি – মার্চ |
| ভিসা আবেদন Embassy / VFS এ | মার্চ |
| ভিসা অনুমোদন ও এয়ার টিকিট বুকিং | মার্চের শেষ সপ্তাহ |
| জাপানে যাত্রা ও ক্লাস শুরু | এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ |
⏳ মোট সময়: প্রায় ৬–৭ মাস আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করতে হবে।
Step 3: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (Document Checklist)
(A) ব্যক্তিগত ডকুমেন্টস
- বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ২ বছরের মেয়াদ থাকতে হবে)
- সাম্প্রতিক ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫মিমি × ৪৫মিমি, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
- পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফর্ম
- জাপানি ভাষা দক্ষতার প্রমাণ (যদি থাকে JLPT N5/N4 সার্টিফিকেট, না থাকলে সমস্যা নেই কিন্তু বাড়তি সুবিধা হয়)
(B) শিক্ষাগত ডকুমেন্টস
- এসএসসি ও এইচএসসি সার্টিফিকেট ও মার্কশিট (ইংরেজি অনুবাদ সহ)
- অনার্স / মাস্টার্স / ডিপ্লোমা থাকলে সেগুলোর সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট
- গ্যাপ থাকলে অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট (চাকরি বা প্রশিক্ষণের)
(C) ফাইনান্সিয়াল ডকুমেন্টস
- স্পন্সরের ব্যাংক স্টেটমেন্ট → কমপক্ষে ১০–১২ লাখ টাকা
- স্পন্সরের ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট
- স্পন্সরের চাকরি বা ব্যবসার প্রমাণপত্র
- স্পন্সরের সাথে সম্পর্ক প্রমাণের ডকুমেন্ট (যেমন জন্মসনদ / পারিবারিক সার্টিফিকেট)
(D) স্কুল–সম্পর্কিত ডকুমেন্টস
- স্কুল থেকে পাওয়া Admission Letter
- স্কুলে জমা দেওয়া ফর্ম এবং টিউশন ফি প্রদানের প্রমাণপত্র
- স্কুলের কনফার্মেশন লেটার (COE প্রসেসের জন্য)
Step 4: COE (Certificate of Eligibility)
- স্কুল আপনার সব ডকুমেন্ট Immigration এ জমা দেয়
- COE প্রসেসিং টাইম: আনুমানিক ২–৩ মাস
- COE হাতে এলে আপনি সেটি ব্যবহার করে Student Visa এর জন্য আবেদন করবেন
- COE সাধারণত ফেব্রুয়ারির শেষে বা মার্চের শুরুতে স্কুল থেকে পাঠানো হয়
Step 5: ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া (Bangladesh থেকে)
যেখানে আবেদন করবেন:
জাপান এম্বাসি, ঢাকা অথবা VFS Global, Dhaka
যা যা লাগবে:
- COE (মূল ও কপি)
- ভিসা আবেদন ফর্ম
- পাসপোর্ট ও ছবি
- ফাইনান্সিয়াল ডকুমেন্ট
- স্কুলের এডমিশন লেটার
ভিসা প্রসেসিং টাইম: ৫–৭ কার্যদিবস
ভিসা ফি: প্রায় ২,০০০ – ২,৫০০ টাকা
সার্ভিস চার্জ (VFS): প্রায় ১,৯০০ টাকা
Step 6: খরচের পূর্ণাঙ্গ ধারণা
| খাত | আনুমানিক খরচ (BDT) |
| ভর্তি ফি + টিউশন (১ বছর) | ৫.৫ – ৭ লাখ |
| ডকুমেন্ট প্রসেসিং + COE ফি | ১ – ১.৫ লাখ |
| এয়ার টিকিট | ৭০,০০০ – ১.২ লাখ |
| আবাসন (২–৩ মাস) | ১ – ১.৫ লাখ |
| ভিসা ফি + VFS চার্জ | ~৪,০০০ |
| পকেট মানি (প্রথম মাসের জন্য) | ৫০,০০০ – ৮০,০০০ |
| মোট খরচ (১ বছর) | ৮ – ১২ লাখ |
Step 7: জাপানে পৌঁছানোর পর করণীয়
- স্কুলে গিয়ে অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশ নিন
- Residence Card (在留カード) সংগ্রহ করুন
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন
- পার্ট-টাইম কাজের জন্য Work Permit নিন
- সাপ্তাহিক সর্বোচ্চ ২৮ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন → মাসিক আয় ¥১,০০,০০০ – ¥১,২০,০০০ (প্রায় ৮০,০০০ – ১,২০,০০০ টাকা)
Step 8: ভবিষ্যতের সুযোগ
- বিশ্ববিদ্যালয় / ভোকেশনাল স্কুলে ভর্তি
- SSW / Engineer Visa তে পরিবর্তন
- ফুল–টাইম চাকরির সুযোগ
- দীর্ঘমেয়াদে Permanent Residency এর সম্ভাবনা
সংক্ষিপ্ত সারাংশ (April Intake)
- প্রস্তুতি শুরু: আগস্ট – অক্টোবর
- আবেদন জমা: অক্টোবর – নভেম্বর
- COE রেজাল্ট: ফেব্রুয়ারি – মার্চ
- ভিসা প্রসেসিং: মার্চ
- জাপানে যাত্রা: এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ
- মোট খরচ: ৮ – ১২ লাখ টাকা
- আয় সম্ভাবনা: প্রতি মাসে ৮০,০০০ – ১,২০,০০০ টাকা (পার্ট-টাইম)

Hello Japan 2.0 N5 Adjectives 